রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
প্রদীপ কুমার সরকার, ইউরোপ ব্যুরো প্রধান: বৈশাখী মেলা উদযাপন।যেসব বাঙালির রক্তে মাংসে মিশে আছে বাংলা সংস্কৃতি তারা বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুন না কেন তা হৃদয়ে ধারণ করার পাশাপাশি স্মৃতি চারণ করতে ভুলে না। তাইত আদি সভ্যতার দেশ গ্রিসে রমনার বট তলা না থাকলেও এসো হে বৈশাখ এসো এসো, রমনার বটমূলে কথা হবে প্রাণ খুলে গানের তালে তালে আনন্দে মেতে ওঠে অসংখ্য প্রবাসী। দেশীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন গান পরিবেশন করেন প্রবাসী শিল্পীরা। আরো ছিলো কবিতা আবৃতি, বাঁশির সুর আর কোমলমতি শিশু কিশোরদের নৃত্য পরিবেশনা মুগ্ধ করে প্রবাসীদের।

অসংখ্য নারী পুরুষ শিশু কিশোর প্রবাসীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল বৈশাখী উৎসবে পরিণত হয়। ২৭এপ্রিল শনিবার দূতাবাস প্রাঙ্গনে দিনব্যাপী বৈশাখী মেলায় মঙ্গল শোভাযাত্রা, সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও বাংলাদেশী খাবার উৎসবের আয়োজন এতে অনেক বাংলাদেশী সপরিবারে উপস্থিত হন। কোন আয়োজনের যেন কমতি ছিল না ,মেলায় বাংলাদেশী নারী পুরুষ শিশুরা লোকজ ও বৈশাখী পোশাক সজ্জিত ছিল, বাঙালি নারীদের হাতে ছিল মেহেদী যুবকদের পড়নে ছিল লাল পাঞ্জাবি। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বেশ কয়েকটি ছিল খাবারের স্টলে বাহারী খাবার ও পিঠা , গহনা অলংকার সামগ্রী এবং আলপনায় আঁকা ছিল দূতাবাস প্রাঙ্গণ। দূতাবাসের কর্মকর্তারা প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাথে নিয়ে নতুন বছরে বন্নির সাথে সজ্জিত ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বর্ণনাট্য মঙ্গল শোভাযাত্রা করেন।
বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দা অ্যাফেয়ার্স মোঃ খালেদ বলেন বাংলা নববর্ষ উৎসব বাঙালির প্রাণের উৎসব সম্প্রীতির উৎসব এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি উৎসব, বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে প্রবাসীদের সাথে নিয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈশাখী উৎসবে অংশগ্রহণ করায় সবাইকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রীসের বর্তমান এবং সাবেক সভাপতিমন্ডলীগন, সাধারণ সম্পাদকগন, বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক ও সাধারণ প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।